Mohammad Bin Siraj

মাস্টারদা:ভারতবর্ষের এক বিপ্লবী অগ্নিপুরুষ

অগ্নিযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ অগ্নিপুরুষ মাস্টারদা সূর্যসেন।তিনি ছিলেন ব্রিটিশ শাসনবিরোধী একজন সক্রিয় দুঃসাহসিক বিপ্লবী।মাস্টারদা ছিলেন প্রকৃত বিপ্লবী।তিনি বিবাহিত হলেও দেশের মুক্তির আন্দোলনের জন্য সারাটি জীবন সন্ন্যাসীর মতো কাটিয়েছেন।ভারতবর্ষের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব।পূর্ববঙ্গে জন্ম নেওয়া এই বাঙালি বিপ্লবী তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং নিজ জীবন বলিদান করেন। সূর্যসেনের বাহিনী কয়েকদিনের জন্যে ব্রিটিশ শাসনকে চট্টগ্রাম এলাকা থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল।
মাস্টারদা তার বিপ্লবী পথ নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করেছেন।সমমর্যাদা দিয়েছেন বিপ্লবী নারী ও পুরুষকে।
চিত্র:মাস্টারদা সূর্য সেন

জন্ম ও শিক্ষাজীবন:-
১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।তার ডাক নাম ছিল কালু।তাঁর পিতার নাম রাজমনি সেন এবং মাতার নাম শশী বালা সেন। রাজমনি সেনের দুই ছেলে আর চার মেয়ে। সূর্য সেন তাঁদের পরিবারের চতুর্থ সন্তান।এরা খুবই সাধারণ,মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। শৈশবে পিতা মাতাকে হারানো সূর্য সেন তার বড় কাকা গৌরমনি সেনের কাছেই মানুষ হয়েছেন। সূর্য সেন ছেলেবেলা থেকেই ভাল ছাত্র, ধার্মিক এবং স্থির প্রকৃতির ছিলেন।
আট বছর বয়সে বালক সূর্যসেনকে ভর্তি করা হয় গ্রামের দয়াময়ী প্রাইমারি স্কুলে।প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষে তিনি নোয়াপাড়া মাইনর স্কুলে ভর্তি হন।সেখানে তিনি ৪ বছর পড়ালেখা করে কিন্তু ঔ স্কুলে সরকারি অনুদান না থাকায় গৌরমণি সেন বালক সূর্য সেনকে চট্টগ্রাম নন্দনকাননের ন্যাশনাল স্কুলের নবম শ্রেণীতে ভর্তি করে দেন।হাইস্কুলে দেখা যায় লেখাপড়া ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তিনি অনেক দূর এগিয়ে গেছেন।পরে তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাশ করে চট্টগ্রাম কলেজে এফ. এ.-তে ভর্তি হন।এফ. এ. পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে পাশ করে তিনি একই কলেজে বি.এ-তে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু তৃতীয় বর্ষের কোন এক সাময়িক পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে কলেজ থেকে বিতাড়িত করা হয়।ফলে, তাকে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে বি.এ পড়তে যেতে হয়। ১৯১৭ সালে তিনি বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন।বি এ পাশ করার পর তিনি উমাতারা উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে’ অঙ্কের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।সূর্য সেন ছাত্র জীবন থেকে আশের পাশের মানুষের কথা ভাবতেন।এসময় বিপ্লবী দলের সাথে তার সম্পর্ক গভীরতর হয়ে ওঠে এবং শিক্ষকতা করার কারণে তিনি ‘মাস্টারদা’ হিসেবে পরিচিত হন।
দাম্পত্য জীবন
সূর্য সেন ১৯১৯ সালে দাদা-বৌদির বিশেষ অনুরোধে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কনুনগো পাড়ার নগেন্দ্রনাথ দত্তের মেয়ে পুষ্পকুন্তলাকে বিয়ে করেন।কিন্তু সময়টা সুখে সংসার করার মতো ছিল না।বিশেষত তার মনে জ্বলছে দেশ থেকে ইংরেজদের তাড়াবার আগুন।বিপ্লবী না সংসারি-উভয় দিক সামলানো এ কি সমস্যা তিনি অবিবেচকের মতো তৈরি করে ফেললেন।একবার বিপ্লবী দলে আঙুলচাপ দিলেই দিলেই যে কোন মুহূর্তে মৃত্যুকে স্বীকার করে নিতে হবে।তিনি মনে করতেন যে বিবাহিত জীবন তাকে কর্তব্যভ্রষ্ট ও আদর্শচ্যুত করবে।তাই তিনি বিবাহের তৃতীয় দিন গ্রামের বাড়ি ত্যাগ করে শহরে চলে আসেন।কিন্তু তিনি পুষ্পকুন্তলাকে ভালোবাসতেন ও শ্রদ্ধা করতেন।তাই শত কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের ছাত্রের মাধ্যমে পুষ্পকুন্তলাকে একাধিক চিঠি পাঠাতেন।
সূর্যসেনের লেখা চিঠির একাংশ,
“তোমার উপর আমার অগাধ বিশ্বাস আছে।সকল বীরবৃন্দের সঙ্গে তুমিও আমায় ঘিরে আছো।তোমাকে বাদ দিয়ে বিপ্লবের কথা ভাবছি না।স্বাধীনতা অর্জনের প্রত্যেকেরই ভূমিকা আছে।হয়তোবা তোমাকেই নতুন পরিস্থিতি নতুন ভূমিকা নিতে হবে।আমার বিশ্বাস তুমি সব পারবে”
পরে ১৯২৮ সালে তার স্ত্রী টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করে।অবসর ঘটে তাদের ৯ বছরের বিবাহিত জীবন।
বিপ্লবী জীবন
কলেজ জীবনে তিনি বিপ্লবীদের সংস্পর্শে আসেন।এসময় তিনি অম্বিকা চক্রবর্তী,অনুরূপ সেন,নগেন সেনের ও অন্যান্য বন্ধুদের সহায়তায় একটি বিপ্লবী সংগঠন গড়ে তোলেন।তার সংগঠন এবং নিজে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হলেও প্রমাণের অভাবে মুক্তি পান।চট্টগ্রাম ব্রিটিশ শাসনমুক্ত করার জন্য গঠন করেন চট্টগ্রাম বিপ্লবী বাহিনী।পরে এই আত্মঘাতী বাহিনীর নাম হয় চিটাগাং রিপাবলিকান আর্মি।১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলন কর্মসূচী গ্রহণ করে।এই কর্মসূচিতে তিনি স্বরাজ এনে দেওয়ার আশ্বাস দেন।যে কারণে চট্টগ্রামের বিপ্লবীরাও অসহযোগ আন্দোলনে শামিল হন।কিন্তু ১৯২২ সালে চৌরিচৌরার একটি ঘটনায় গান্ধী অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাখ্যান করে নিলেন।এ সময় বিপ্লবীরা হতাশা আর স্থবিরতার আঘাত সামলে গণআন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবার উদ্যোগ নিলেন।ফলে বিপ্লবী দলগুলো আবার সক্রিয় হয়ে উঠে।নগেন সিংহের নেতৃত্বে শুরু হয় বিপ্লবীদের সামরিক প্রশিক্ষণ।এসময় বিপ্লবীরা অর্থ সংগ্রহের জন্য ডাকাতির আশ্রয়ও নিয়েছিল।বিপ্লবীরা ডাকাতির সতের হাজার টাকা নিয়ে অস্ত্র কেনার উদ্দেশ্যে কলকাতায় চলে গেলেন।পুলিশ গোপনসূত্রে খবর পেয়ে বিপ্লবীদের আস্তানা হানা দেন।পুলিশের সঙ্গে খন্ড যুদ্ধ শুরু হয়।যা নাগরথানা পাহাড়খন্ড যুদ্ধ নামে পরিচিত।এই যুদ্ধে সূর্যসেন ও অম্বিকা চক্রবর্তী ধরা পড়েন।কিন্তু মামলায় তাদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণের অভাবে তারা ছাড়া পান।গ্রেফতার করার পর বিপ্লবীদের উপর নির্যাতনের কারণে কলকাতা পুলিশ কমিশনার টেগার্টকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে বিপ্লবীরা। এই পরিকল্পনার কথা পুলিশ আগে থেকেই জানতে পারে।এ কারণে ২৫ অক্টোবর ১৯২৪ সালে গ্রেফতার হন গণেশ ঘোষ, নির্মল সেন, অম্বিকা চক্রবর্তী, অনন্ত সিং সহ আরো কয়েকজন।পুলিশকে বার বার ফাঁকি দিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৯২৬ সালের ৮ অক্টোবর সূর্য সেন কলকাতার ওয়েলিংটন স্ট্রীটে গ্রেফতার হন।তাকে পাঠানো হয় বেলগাঁও জেলে।১৯২৭ সালে নির্মল সেন, অম্বিকা চক্রবর্তী, অনন্ত সিং মুক্তি পান। আর ১৯২৮ সালের শেষভাগে সূর্য সেন ও গণেশ ঘোষ জেল থেকে ছাড়া পান।
১৯২৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক নির্বাচিত হন।১৯৩০ সালে তার উদ্যোগে ভবিষ্যৎ সশস্ত্র আন্দোলনের ব্যাপক পরিকল্পনা শুরু করা হয়।১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল সশস্ত্র অভ্যুত্থান করার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল করেন।কারণ একটাই অস্ত্র সংগ্রহ।ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার ১৮ এপ্রিলের এই ঘটনাকে ‘ভারতের বিপ্লবী কর্মকান্ডের সবচেয়ে সহসিকতাপূর্ণ কাজ’
হিসেবে চিহ্নিত করেন।যা ছিল দেড়শত বছরের ইতিহাসে ইংরেজদের জন্য খুবই অপমানজনক ঘটনা।ইংরেজ বাহিনীর এদেশের মানুষের কাছে প্রথম পরাজয়।চারদিন চট্টগ্রামে ইংরেজ শাসন কার্যত অচল ছিল।পরাধীন জাতির ইতিহাসে বিপ্লবীদের এ বিজয় ছিল গৌরবগাথা।এই অভিযানের পর বিপ্লবীদের পক্ষ থেকে একটি ইস্তাহার বিলি করা হয়।ইস্তাহারটি ইংরেজিতে বয়ান ছিল-
‘THE INDIAN REPUBLICAN ARMY’further declares that any person who will be able tp produce any English man,woman or child of any age to its. Headquarters,dead or alive,
will be amply rewarded’.
এই বয়ান থেকে বুঝা যায় ইংরেজদের প্রতি বিপ্লবী সৈনিকদের মনোভাব কি ছিল।

২২ এপ্রিল ভোর ৪ টায় ঝরঝরিয়া বটতলা স্টেশনে একটি সশস্ত্র ট্রেন এসে থামল।বিপ্লবীরা বুঝতে পারে তাদের সম্মুখযুদ্ধের ক্ষণ আসন্ন।এই সম্মুখযুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর ৮০ জন ও বিপ্লবীদের ১২ জন নিহত হন।যুদ্ধের একপর্যায়ে ব্রিটিশ বাহিনী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।এরপর মাস্টারদা পরিকল্পনা করলেন চট্টগ্রাম পাহাড়তলিতে অবস্থিত ইউরোপিয়ানদের আক্রমণের।এই অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে।আক্রমণের সফলতার শেষে নিরাপদে সরে পড়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।ধরা পড়লে বিপ্লবীদের অনেক গোপন তথ্য ব্রিটিশ পুলিশের মারের মুখে ফাঁস হয়ে যেতে পারে তাই তিনি সায়নাইড বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন।
চিত্র:শিল্পির তুলিতে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদা

এভাবে তিনি দেশমাতৃকার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করলেন।১৯৩৩ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারিম চট্টগ্রাম থেকে ১০ মাইল দূরে পটিয়া থানার গৈরিলা গ্রামে বিপ্লবীরা আত্মগোপন করেন।কিন্তু নগেন নামে এক ব্যক্তির বিশ্বাসঘাতকতার কারণে বিপ্লবীরা গ্রেফতার হন।২০ ফেব্রুয়ারি তাদের চট্টগ্রাম জেলে জেলে পাঠানো হয়।
কারাজীবন,বিচার ও মৃত্যুদন্ড
সূর্যসেনের বন্দিজীবন শুরু হয় চট্টগ্রাম জেল থেকে।প্রথম প্রথম জেলে একা থাকতে কষ্ট হত পরে প্রকৃতি থেকে এমন সব আনন্দ পাবার নানান উপায় বের করে দিলেন।এরকম অবস্থাতে
বিপ্লবী জেলবন্ধু আর বাইরের সাথীদের কাছে ছোটখাটো কাগজে লুকিয়ে নির্দেশ-উপদেশ পাঠাতেন।অবশেষে হাইকোর্টের রায় বের হলো।সূর্যসেন ও তারকেশ্বরেরও ফাঁসি দেওয়া হবে। ১১ জানুয়ারি ১৯৩৪ সালে বেলা ১২ থেকে পরের দিন ভোর ৫টা অবধি সারা চট্টগ্রাম শহরে কারফিউ জারি করেন।দোকানপাট খোলা নিষিদ্ধ,গাড়ি-ঘোড়ার চলাচল বন্ধ।লোকজন বের হলে গুলি করে হত্যা করা হবে।সূর্যসেনকে ফাঁসি দেওয়ার হবে তাই এই ব্যবস্থা নিয়েছেন আতঙ্কিত ব্রিটিশ সরকার।বিকেল দিকে ব্রিটিশ সৈন্যরা নিয়ে নিল জেলের ভার।১২ জানুয়ারি মধ্যরাতে জেল গেইট দিক থেকে পাওয়া গেল গাড়ির ঘড়ঘড় শব্দ।বোঝা গেল কোন বড় অফিসার এসেছে।কিছুক্ষণ পরেই মাস্টারদা চিৎকার করে বন্দেমাতরম বলার চেষ্টা করলেন।কিন্তু সৈন্যরা তাকে বলতে দিলেন না।বন্দে বলার পরপরই তার গলা টিপে ধরা হলো।কিছুক্ষণ পরই তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হলো।পরে জানা যায় তাদের মৃতদেহ দুটিকে ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ ‘দি রিনাউন’ করে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় দু’শ নটিকেল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে পাথর বেঁধে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন ব্রিটিশ সৈন্যরা।তারা নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল মাস্টারদাকে।
চিত্র:জেলরোডে অবস্থিত চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে সুর্য সেনের ফাঁসির মঞ্চ।
সম্মামনা
চিত্র: চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লায় অবস্থিত জে,এম,সেন হলে নির্মিত সুর্য সেনের আবক্ষ মূর্তির স্থির।

মাস্টারদা অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন।বর্তমানে মাস্টারদা বাংলাদেশে ব্যাপক ভাবে সমাদৃত এবং বিপ্লবী হিসেবে জনপ্রিয়। মাস্টারদার বিরত্বগাথা তার জন্মভূমি বর্তমান বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যাবস্থাও পড়ানো হয়ে থাকে। মাস্টারদাকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, রাস্তার নাম, বিশ্ববিদ্যালয় হলের নাম আছে। মাস্টারদার নামে উল্লেখ যোগ্য হল গুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হল , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ২০১০ সালে মাস্টারদা নামে মাস্টারদা সূর্যসেন হল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়া মাস্টারদা সূর্যসেন মেমোরিয়াল পাঠাগার সহ অসংখ্য স্থাপনার নাম আছে। এছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও কিছু স্থাপনার নাম মাস্টারদার নামে আছে।কলকাতা মেট্রোরেল সূর্যসেনের স্মরণে বাঁশদ্রোণী মেট্রো স্টেশনটির নামকরণ করেছে ‘মাস্টারদা সূর্য সেন মেট্রো স্টেশন।’
বলিউডে ইতোমধ্যেই চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন নিয়ে ‘খেলে হাম জি জান’ ও ‘চিটাগং’ নামে দুটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়।
মাস্টারদার ফাঁসি হয়, কিন্তু তাঁর আদর্শে দীক্ষিত হয়ে বিপ্লবী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকে সংগ্রামী জনতা।বিপ্লবী বীর মাস্টারদা সূর্যসেন স্বাধীনচেতা এ দেশের জনগণের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তথ্যসূত্র

  1. সূর্যসেন-নিখিলেশ ঘোষ
  2. THE CHITTAGONG REVOLT 1930-34,-Dr. Suniti Bhushan Qanungo,
  3. DO AND DIE: The Chittagong Uprising: 1930-34, Manini Chatterjee,


    লেখক সম্পর্কে

    devadministrator