RANA HASAN

কুয়ালালামপুর ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, একটি বোয়িং ৭৭৭ চীনের রাজধানী বেইজিং এর উদ্দেশে রওনা দেবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট এম এইচ ৩৭০ হল একটি পেসেঞ্জার ফ্লাইট। যেটা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর এবং চীনের বেইজিং এর মধ্যে প্রতিদিন যাতায়াত করতো। সময় তখন রাত্রি ১২ টা বেজে ৪১ মিনিট, ফ্লাইট ৩৭০ কে উড়ানের জন্য অনুমতি দেওয়া হল। ফ্লাইটটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন ক্যাপ্টেন জাহারেয় আহমেদ শাহ্‌, সহকারী ক্যাপ্টেন ফারিক আব্দুল হামিদ, ১০ জন কেবিন ক্রু এবং বিভিন্ন দেশের ২২৭ জন যাত্রী। প্লেনটির যাত্রা করবার সময় নির্ধারিত ছিল সাড়ে ৫ ঘণ্টার কিছুটা বেশি। উড্ডয়নের ১ ঘণ্টার মধ্যে মালয়েশিয়া পেরিয়ে ফ্লাইট ৩৭০ দক্ষিণ চীন সাগরের উপরে প্রায় ৩৫০০০ ফুট উপরে অবস্থান করছিল। রাতের আকাশ তখন ঝকঝকে এবং আবহাওয়া ছিল শান্ত। এ সময় ফ্লাইট ৩৭০ কে কুয়ালালামপুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে ভিয়েতনামের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে তার উপস্থিতির কথা জানানোর জন্য বলা হয়। কুয়ালালামপুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার তখনও কিছুই আন্দাজ করতে পারেনি যে পরবর্তী ২ মিনিটে ঠিক কি ঘটতে চলেছে। কথোপকথন শেষ হবার ১ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড পর বিমানটি হটাতই কুয়ালালামপুর এবং ব্যাংকক এয়ারপোর্ট এর রাডার থেকে হারিয়ে যায়। ফ্লাইট ৩৭০ এর ক্ষেত্রে ট্রান্সপন্ডার থাকা সত্ত্বেও রাডার থেকে তার হারিয়ে যাওয়ার প্রাথমিক কারন হিসেবে বলা যায়, হয় ঐ নির্দিষ্ট সময়ে বিমানটির দুটি ট্রান্সপন্ডার ই কাজ করা বন্ধ করে দেয় অথবা ট্রান্সপন্ডার দুটিকে ইচ্ছাকৃত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই সময় ফ্লাইট ৩৭০ এর সাথে যোগাযোগ করার সকল প্রকার চেষ্টা করা হয়। বোয়িং ৭৭৭ বিমানটি হটাতই যেন বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো সমগ্র লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায় কোনরকম সংকেত ছাড়ায় এবং অবশেষে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফ্লাইট ৩৭০ বেইজিং এ তার নিয়মমাফিক সকাল ৬ টা বেজে ৩০ মিনিটে পৌঁছাতে পারেনি। কিছুক্ষন পর ফ্লাইট ৩৭০ কে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিখোঁজ ঘোষণা করা হয়।

নিঃশেষের অবসান নেই যখন থেকে।

আজ আপনাদের বলতে যাচ্ছি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিমান হারিয়ে যাবার কথা। বর্তমান সময়ে কোটি কোটি সি সি ক্যামেরা, পৃথিবীর উপর স্যাটেলাইট থাকা সত্ত্বেও, আজ ২০২০ সালে এসেও ফ্লাইট MH ৩৭০ এর কোনো হদিশ মিলে নি। এটা প্রায় অসম্ভব এতো বড় একটি জিনিস নিঃশব্দে সমগ্র পৃথিবীর চোখ ফাঁকি দিয়ে হারিয়ে যাবে। এই কারনেই একে ঘিরে তৈরি হয়েছে অসংখ্য রহস্য। আর এই রহস্য গুলোকে ভেদ করবার জন্য তৈরি হয়েছে অসংখ্য ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। কেউ কেউ মনে করে বিমানটি ছিনতাই হয়েছে, কেউ কেউ মনে করে বিমানটি ক্রাশ করেছে আবার কেউ তো একটু বাড়িয়ে এটির সাথে এলিয়েন এর যোগসূত্র খুঁজে পায়। অনেকের কাছেই এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্য। তাই এই রহসের কিছু অফিসিয়াল তত্ত্ব এবং কিছু আনঅফিসিয়াল কিন্তু প্রায় বিশ্বাসযোগ্য তত্ত্ব নিয়ে আপনাদের বলতে যাচ্ছি।

শুরু হয় খোঁজার মিশন

ফ্লাইট MH ৩৭০ এর হারিয়ে যাবার ঘটনাটি প্রচণ্ড চিন্তিত করে গোটা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স কে। তারা অতিশীঘ্রয় একটি কমিটি গঠন করে। কিন্তু প্লেন ক্রাশের অনুভুবি তদন্তকারী দল MH ৩৭০ এর কোন সুত্রই খুঁজে পায়না। অতিশীঘ্রয় প্লেনটি পৃথিবীর শিরোনামে চলে আসে। মানুষ মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স এর কাছে উত্তর প্রত্যাশা করে। এমন চাপে পরে অনেক অর্থ খরচ করে এয়ারলাইন্স পরদিন সকালে প্লেনটিকে খুঁজে বের করার জন্য একটি মাল্টিন্যশনাল সার্চ অপারেশন শুরু করে। যেটিতে ৬৪ টি এয়ারক্রাফট এবং ৬৯ টি সামুদ্রিক জাহাজ শামিল হয়। যারা সম্পূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে খোঁজ চালায়। কারন তদন্তকারীদের আশা ছিল যদি বিমানটি দুর্ঘটনাবশত সমূদ্রে পড়ে থাকে তার ধ্বংসাবশেষ অবশ্যই দক্ষিণ চীন সাগরে পাওয়া যাবে। কিন্তু অনবরত খোঁজবার পরেও চীন সাগরে MH ৩৭০ এর কোনোকিছুই পাওয়া যায়নি। তদন্তকারীরা হার না মেনে অভ্যন্তরীণ তদন্ত পুনরায় শুরু করে। তারা তিনদিন পর জানতে পারে ট্রাফিক কন্ট্রোল রাডার থেকে প্লেনটি সম্পর্ক চ্যুত হলেও সেটি মালয়েশিয়ান মিলিটারি রাডারে ধরা পরেছিল। যেখানে দেখায় প্লেনটি দক্ষিণ চীন সাগর থেকে বেয়জিং এর দিকে যাত্রা না করে মালয়েশিয়ান পেনান দ্বীপের উপর দিয়ে উত্তর পশ্চিমে আন্দাবান সাগরের উপরে আরও ১৫০ মাইল আগে থাইল্যান্ড এর আকাশে উড়ে যাচ্ছিল। সেখান থেকেই মালয়েশিয়ান মিলিটারি রাডার প্লেন থেকে সম্পর্ক হারায়। বলতে গেলে সারা পৃথিবী থেকে সম্পর্ক হারায় সেখানেই। এই সংবাদ তদন্তকারীদের সন্দেহ এবং কাজ দুটোয় বাড়ায়। তারপরের ছয়দিন লাগাতার সার্চ মিশনের পরও ফল হয় শুন্য। তবুও এই রহসের জট ছাড়ানোর জন্য সমগ্র তদন্ত বিভাগ ভীষণ অসম ছিল। আর এই সময় CTBTO এর পক্ষ থেকে কিছু ডাটা প্রকাশ করা হয় যা তদন্তকারী দলের কাছে পৌঁছে। CTBTO সংস্থা একটি নির্দিষ্ট অঞ্ছলের মধ্যে চারটি হায়ড্রকিয়েস্টিক মনিটরিং সিস্টেম এর মাধ্যমে MH ৩৭০ হারিয়ে যাবার ঐ নির্দিষ্ট সময়ে একটি বিশেষ ধরনের তরঙ্গ রেকর্ড করতে সক্ষম হয়। যার মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছিল MH ৩৭০ সমুদ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পরে ছিল। কিন্তু আরেকটু ঘেঁটে দেখা যায় ফ্লাইট ৩৭০ এর হারিয়ে যাওয়া এবং হায়ড্রোফোনের রেকর্ডিং এর সময়টা মিল করলেও তার উৎপত্তিস্থলের ক্ষেত্রে ভিন্নতা লক্ষ করা যায়। তখন ধারনা করা হয় MH ৩৭০ জলে ডুবে যায়নি, অর্থাৎ তদন্তকারীদের প্রায় সব প্রশ্নয় বর্তমান ছিল। যে প্রশ্নটি সবার প্রথমে উঠে আসে সেটি হল ঠিক কি কারনে প্লেনটি তার দিক পরিবর্তন করেছিল অথবা ঠিক কেনইবা প্লেনটি রাডারের বাহিরে চলে যায়। কেননা একটি প্লেন সাধারনত কিছুসময়ের জন্যয় রাডারের বাহিরে যেতে পারে। একেবারে রাডারের সাথে তখনই সম্পর্ক ছেদ করা সম্ভব যখন প্লেনের পাইলট তা চাবে। অর্থাৎ নতুন করে আরেকটি প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাহলে কি পাইলট ইচ্ছে করেই তা করেছিল নাকি পাইলটকে বাধ্য করা হয়েছিল বা তার সম্ভবনায় কতটুকু!!

সন্দেহের বেড়াজালে সন্দেহ!

ঠিক এই সময় তদন্তকারীরা একটি বিস্ময়কর তথ্যের সম্মুখীন হয়। দেখা যায় প্লেনের দুজন যাত্রী ভুয়া পাসপোর্টের মাধ্যমে যাত্রা করছিল। তারা দুজনই ছিল চীনার অধিবাসী। তাদের দুজনের সমন্ধেই সার্চ করা হয় যে তারা কোনো জঙ্গিবাদের সাথে সম্পর্কিত ছিল কিনা। কিন্তু পরে জানা যায় তারা কোনো জঙ্গিবাদের সাথে সম্পর্কিত ছিল না। তাদের অতীতে কোনো খারাপ রেকর্ডও ছিল না। এবার শুধুই সন্দেহের তালিকায় থেকে যায় পাইলটেরা। প্লেনটির কো-পাইলট ফারিক আব্দুল হামিদ ছিলেন ২৭ বছর বয়সী এক যুবক। তার কোনো রেকর্ডই খুঁজে পাওয়া যায়নি যার দরুন সে প্লেনটিকে উধাও করবে। এইবার আসা যাক প্লেনটির কেপ্টেন জাহারেয় আহমেদ শাহ্ এর কাছে। এই মানুষটি সবচেয়ে রহস্যময় প্লেনটি হারিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে। ৫৩ বছর বয়সী শাহের সম্মানের সাথে ৩০ বছরের প্লেন চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল। কিন্তু তার সোশ্যাল মিডিয়ার চরিত্র মোটেও ভালো ছিলনা। আনফিসিয়ালি ভাবে জানা যায় তার পারিবারিক সম্পর্কও ভালো ছিলনা। কিন্তু তদন্তকারীদের চক্ষু তখন কপালে উঠে যখন তারা জানতে পারে তার নাম জড়ানো ছিল তৎকালীন স্থানীয় বিরোধী দলীয় নেতা আনোয়ার ইব্রাহীমের সাথে। ফ্লাইট MH ৩৭০ উড্ডয়নের কয়েক ঘণ্টা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় এই নেতার। তাহলে কি এর মধ্যে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেছে..?? শেষমেশ প্লেনটিকে যে স্থানে চিহ্ন করা হয় সেই পেনাং আয়ল্যন্ডেয় ক্যাপ্টেন আহমেদ শাহ্ বড় হয়েছিলেন। আর এই কারনে অনেকে মনে করেন ক্যাপ্টেন আহমেদ শাহ্ শেষবারের মতো তার বাড়িটিকে দেখে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এইগুলো যে প্লেনটি হারিয়ে যাবার আসল কারন তা কিন্তু অফিসিয়ালি মানা হয়নি। সবথেকে বড় কথা প্লেনটিকে তো কোথাও পাওয়াই যায়নি। এরপর তদন্তকারীরা বিমানের কার্গোলিস্ট চেক করে এবং এমন একটি দ্রব্য পায় যা কিনা এই সব রহস্যকে ভেদ করে দিতে পারতো। বিমানে ২২১ কিলোগ্রাম লিথিয়াম ব্যাটারির প্যাকেট ছিল। যা একটি ভয়ানক বিস্ফোরণ ঘটাতে পারতো। অনেকে মনে করে ইলেকট্রিক সংযোগ এবং লিথিয়ামের প্রভাবে প্লেনটি ধ্বংস হয়। কিন্তু পৃথিবী ব্যাপী সার্চ মিশনে যখন কোনো কিছুই উদ্ধার হয়নি তখন এই অনুমানকেও ভুল মানতে হয়। হটাত আরেকটি বিষয় সামনে আসে। ঘটনার ষোলো দিন পর একটি স্যাটেলাইটের ডাটা থেকে জানা যায় , প্লেনটি সব রাডার থেকে সম্পর্ক হারানোর পরেও স্যাটেলাইটে সিগন্যাল পাঠায়। এই সিগন্যাল গুলোকে পরীক্ষা করে জানা যায় বিমানটি মিলিটারি রাডার থেকে হারিয়েও আরো ৫ ঘণ্টা যাত্রা করেছিল। কিন্তু কোন স্থানে যাত্রা করেছিল তা জানা যায়নি। এইসবকিছুর পর তদন্তকারী দল অফিসিয়ালি MH ৩৭০ এর রহস্য বের করা যায়নি বলে জানিয়ে দেয়। আর এর থেকেয় তৈরি হয় বিতর্কিত মতবাদের। একটি সর্বশেষ তত্ত্ব থেকে অনুমান করা হয়েছিল যে প্লেনে এমন কিছু দ্রব্য ছিল যার কারনে কেউ চাইছিলয়না প্লেনটি চায়নাতে পৌঁছাক। তাই তারা এন্টারটিকায় নামায় এবং এন্টারটিকা হলো যেকোনো বড় বস্তুকে লোকানোর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। সেই কারনে প্লেনটিকে উদ্ধারে কোনো অর্থ বা দাবি রাখা হয়নি। হাইজেকারদের শুধুই নির্দিষ্ট কোনো দ্রবের প্রয়োজন ছিল। আরেকটি বিতর্কিত মতবাদ বলে, প্লেনটি হয় সরাসরি সমুদ্রে ক্রাশ করে অথবা নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী প্লেনটি ৪৫০০০ ফিট উপরে চলে যায়, যার ফলে যাত্রীরা অবচেতন হয়ে যায় এবং প্লেনটি দ্রুতগতিতে সমুদ্রে এসে পরে। কিন্ত প্রশ্ন হল ১ লক্ষ ২০ হাজার কিলোমিটার খোঁজার পরেও প্লেনটির কোন ধ্বংসাবশেষ কেন পাওয়া গেল না??? একটি থিওরি হ্যাকিং এর দিকে ইশারা করে। অনেকে মনে করে প্লেনটিকে হ্যাক করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কোথায় বা কিভাবে হ্যাক করে তা অপ্রমানিত। এবার জানা যাক সবচেয়ে আলোচিত বিতর্কিত মতবাদ নিয়ে….

আমেরিকা চুরি করেছে MH ৩৭০ প্লেনটিকে!!!

হ্যাঁ, অনেকেরই দাবি মালদ্বীপের পাশেই আমেরিকার মিলিটারি বেইস দিয়াগো গারসিয়া অবস্থিত। যে বেইসে এই প্লেনটিকে নামানো হয়েছিল। মালদ্বীপের বাসিন্দারাও বলেছিল তারা বড় প্লেনের নামার শব্দ শুনেছিল সেইদিন। এমন শব্দ কখনোই এই বেইস থেকে তারা পায়নি। এই মতবাদ অনুসারে আমেরিকা জোর করে অথবা প্লেনটি ইচ্ছা করে সেখানে নেমেছিল। কিন্তু ইউএসএ অফিসিয়ালি বলেছে তারা এমন কোন প্লেন দেখেয়নি। ফ্রান্সের এক্স-এয়ারলাইন্স ডিরেক্টর মিডিয়াকে বলেছে ইউএসএ প্লেনটিকে দেখেছিল এবং তারা সেটিকে পৃথিবী থেকে লুকিয়ে রেখেছে। আজকের দিনে এটা কখনোই সম্ভব না MH ৩৭০ এর মতো প্লেন পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে। অর্থাৎ এটা বোঝায় যাচ্ছে ইউএসএ নিজের কর্মকাণ্ডের উপর পর্দা দিচ্ছে। তবে এইরকম ক্রাইম লোকানোটাও বেশ কঠিন। অস্ট্রেলিয়ার এক্স-প্রাইম মিনিস্টার বলেছে, পাইলটের ইচ্ছে ছিল এমন কোনো রহস্য তৈরি করবে যা কখনোয় ভেদ করা সম্ভব হবে না। আবার কারো কারো মতে আজকের দিনে ২৩৯ জন মানুষের উপর মহাবিশ্বের কোথাও এলিয়েন পরীক্ষা চালাচ্ছে। এইগুলো বিতর্কিত মতবাদ। প্রমানিত একটিও নয়। সত্যিকথা বলতে অফিসিয়ালি MH ৩৭০ হারিয়ে যাওয়া রহস্য ছাড়া কিছুই নয়। তাই রহস্য এইটাও যে কেন প্লেনটির রাডার বন্ধ হয়ে যায়। কেনইবা প্লেনটির পাইলট সুস্থ মস্তিষ্কে প্লেনের কমিউনিকেশন সিস্টেম বন্ধ করে দিবে। জদি হাইজেকাররা এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে তারা কারা। এই হাইজেকারদের দায় কেন কোনো সংঘটন নিল না। আর মুক্তিপন কেনইবা দাবি করলনা। অথবা এউএসএ ই বা কেন প্লেনটিকে লুকিয়ে রাখবে, স্বার্থ কি আর এলিয়েন এর প্রসঙ্গ তো বাদ ই দিলাম। প্রশ্ন থেকেই যায়!! কিন্তু সবথেকে বড় প্রশ্ন যেটি দাড়ায় সেটি হল ফ্লাইট MH ৩৭০ এখন কোথায়??? তবে হারানো মানুষগুলোর পরিবারের কাছে সবকটি থিওরি দুঃখজনক। হয়তো রহস্যভেদে তারা মানসিক শান্তি পেত


এই হল পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বিমান হারিয়ে যাবার ঘটনা। আপনি কি মনে করেন, MH ৩৭০ কিভাবে পৃথিবীর চোখ ফাঁকি দিয়ে হারিয়ে গেল??
প্রশ্ন রইল!!!!


    লেখক সম্পর্কে

    devadministrator